১
একজন মারাঠি ভদ্রমহিলা আমায় জিজ্ঞেস করেছিলেন,
“এতো ব্যঙ্গ করে কথা বলো কেন?”
আমি বলেছিলাম, “আমি তো বাঙ্গালী —
ব্যঙ্গ করি অসহায় বলে৷”
২
বেধবার বে দিইচি- শ্লা-আ-
গদগদে আগুন থেকে নিঘ্ঘাৎ সতীরে ফিরায়ে এনিচি ঘএ-
নোবেল মেরিচি পোদ্যে৷
সে ছিলো সন্নযুগ- বাওয়া-
এখন তো কোলাকুলি খচ্চরে খচ্চরে,
দেখা হলেই খিস্তিখেউড়ে- সন্মান!
রাস্তায় বেজায় ভিড় আর গওম,
ঘাম ধোয়া গেঞ্জি কখন দিলপে সেঁটেছে,
বাস, ট্যাক্সি আর বদরাগী মানুষের চিৎকারে-
মাগো, রেখেছো বাঙ্গালী করে, দয়ালু করনি-
ওম শান্তি, ওম শান্তি বলে,
এক ঢোক্ তাড়ি হোক্ কাকা৷
৩
তেড়ে গিয়ে বলুন, গলার শির ফুলিয়ে বলুন-
কোনো কথা না শুনে, কোনো কথা বলতে না দিয়ে বলুন-
বলুন, “কি হচ্ছে টা কি? বড্ড বাড় বেড়েছে মশাই আপনার-
এইবার কিন্তু চড় থাপ্পড় পড়বে- ভেবেছেন টা কি?
পিঠের ছাল তুলে নেবো এইবার৷”
কেমন?
জিতলেন তো?
ভয় পাইয়ে দিলেন?
চুপ করে গেল সে?
বেশ বেশ৷
তাহলে সগর্বে বাড়ি চলে যান৷
বিশ্রাম নিন৷ খাবার খান৷ টিভি দেখুন আরামে৷
শুধু দেখবেন, তিতিবিরক্ত ভাবটা যেন
আবার একেবারে চলে না যায়;
কালকে আরও লড়াই আছে৷
No comments:
Post a Comment