Monday, 18 April 2022

ভোর

তন্দ্রার মতনই দৃশ্য ভারী হয়ে আসে৷

হয়তো হয়নি ঘুম- অনর্থক কেটে গেছে রাত- 

ভোর হোলো- 

কাঁধ থেকে প্রেতাত্মার মতো ঝুলে ঝুলে ভয়গুলো-

তাদেরকে বয়ে বয়ে ভারী হয়রান৷


ঘনঘোর খেলা এক৷

নিজেকে নিজের জঠরে চিৎ করে ফেলে দেখা- 

আর তারা ভিন্ন হয়ে ওঠে- 

শ্বেতরক্ত কৃমিদের মতো৷

খন্ডিত, অজস্র, কিলবিল করে-

সেই সব দ্বিখন্ডিতদের বিভ্রমের চিক্কুরে চমকিয়ে উঠি৷

অন্ন-থালা দেখে চমকিয়ে ওঠে যে মানুষ- বিবমিষা হয়- 

তার মতো আমিও পেঁচা মুখে জেগে বসে থাকি বিছানায়৷


ভাবি, ঘুম এলো বুঝি৷

শান্তি এলো?

আরাম এলো কি প্রাণের?


তাহলে তো সব পন্ড!

ভারী কাজ বাকি৷

কষ্ট মেখে উশুলের গেরোস্তদারী করা বাকি৷

বাড়ী ভাড়া দেওয়া হয়নিতো৷

বিজলীর বিল, ওষুধ বিষুধ-

বইপাতা ঘেঁটেঘুঁটে ঘুরে ফেলে ভ্রষ্ট বিষাদ; 

ভ্রমে, ক্ষোভে, দ্বিধায়, মনস্তাপে-

খেলার প্রগল্ভতায় বিষাদের নুন-তেতো স্বাদ নেয়া বাকি৷


আর যদি ভোর আসে- 

কুসুমে, খেয়ালে, নিম রোদে, আরাম কেদারায়- 

আসে যদি আমাকে ছাড়াই-

সেই অগ্রজ্ঞানে বসে থাকি জগদ্দল পাথরের মতো 

দুপুর অবধি৷

তখনই তন্দ্রা আসে৷

No comments:

Post a Comment