তন্দ্রার মতনই দৃশ্য ভারী হয়ে আসে৷
হয়তো হয়নি ঘুম- অনর্থক কেটে গেছে রাত-
ভোর হোলো-
কাঁধ থেকে প্রেতাত্মার মতো ঝুলে ঝুলে ভয়গুলো-
তাদেরকে বয়ে বয়ে ভারী হয়রান৷
ঘনঘোর খেলা এক৷
নিজেকে নিজের জঠরে চিৎ করে ফেলে দেখা-
আর তারা ভিন্ন হয়ে ওঠে-
শ্বেতরক্ত কৃমিদের মতো৷
খন্ডিত, অজস্র, কিলবিল করে-
সেই সব দ্বিখন্ডিতদের বিভ্রমের চিক্কুরে চমকিয়ে উঠি৷
অন্ন-থালা দেখে চমকিয়ে ওঠে যে মানুষ- বিবমিষা হয়-
তার মতো আমিও পেঁচা মুখে জেগে বসে থাকি বিছানায়৷
ভাবি, ঘুম এলো বুঝি৷
শান্তি এলো?
আরাম এলো কি প্রাণের?
তাহলে তো সব পন্ড!
ভারী কাজ বাকি৷
কষ্ট মেখে উশুলের গেরোস্তদারী করা বাকি৷
বাড়ী ভাড়া দেওয়া হয়নিতো৷
বিজলীর বিল, ওষুধ বিষুধ-
বইপাতা ঘেঁটেঘুঁটে ঘুরে ফেলে ভ্রষ্ট বিষাদ;
ভ্রমে, ক্ষোভে, দ্বিধায়, মনস্তাপে-
খেলার প্রগল্ভতায় বিষাদের নুন-তেতো স্বাদ নেয়া বাকি৷
আর যদি ভোর আসে-
কুসুমে, খেয়ালে, নিম রোদে, আরাম কেদারায়-
আসে যদি আমাকে ছাড়াই-
সেই অগ্রজ্ঞানে বসে থাকি জগদ্দল পাথরের মতো
দুপুর অবধি৷
তখনই তন্দ্রা আসে৷
No comments:
Post a Comment